Monday, October 20, 2014

আসুন জেনে নিই ওয়েব হোস্টিং ক্রয়ের পূর্বে যে বিষয় গুলো মনে রাখাটা অতি জরুরী!!

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। এমন অনেকেই আছেন যারা নিজের জন্য ব্লগ-ওয়েব সাইট অপারেট করার জন্য হোস্টিং নিতে চাচ্ছেন। এবং সঠিকভাবে বুঝতে পারছেন না আপনি কি ধরনের হোস্টিং গ্রহন করবেন। অপরদিকে প্রথম দিকে নিজের একটি ওয়েবসাইট বানানোর আগে বেশিরভাগ লোকই একটু উত্তেজিত থাকে এবং হোস্টিং সম্পর্কে অনেকগুলো বিষয়ই না জেনে হোস্টিং কিনে ফেলে। পরে এটি থেকে নিজের মনের মতো সুবিধা না পেলে দু:খ প্রকাশ করা ছাড়া কিছু করার থাকে না। তাই যে সব বিষয় সম্পর্কে অবগত না হয়ে হোস্টিং কেনা উচিত না বলে আমি মনে করছি তা আগেই জেনে নিন। অর্থাত হোস্টিং ক্রয়ের পূর্বে বেশ কিছু বিবেচ্য বিষয় রয়েছে যেগুলো আপনার জানাটা অতি জরুরী। তাহলে আসুন হোস্ট সম্পর্কে আমরা বেশ কিছু টিপস জেনে নিই


১. টাকা

প্রত্যেকেরই একটা আনুমানিক বাজেট থাকে যার মধ্যে সে হোস্টিং কিনবে। একই সাথে ভাল মানের এবং কম টাকার মধ্যে কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাজার ঘুরে দেখতে হবে। এ বেপারে খুবই সুন্দর একটি ইন্টারফেস পাবেন আপনি Hostmonk এ। এখানে আপনি অনেক গুলো হোস্টিং প্রতিষ্ঠান ও তাদের সার্ভিসের সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনার চাহিদার সাথে মিলিয়ে নিতে পারবেন হোস্টিং প্রতিষ্ঠানের ধরন।

২. প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা

আপনার ওয়েবসাইট যে প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে রাখবেন তার ব্যবসা সম্পর্কে জেনে নিন। আনলাইনে সার্চ দিলে কোন হোস্টিং কোম্পানী সম্পর্কে অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে। বিভিন্ন ফোরাম পোস্টগুলো দেখতে পারেন। একটি বড় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হোস্টিং কেনাটাই বেশি ভাল।

৩. বাধ্যবাধকতা

হোস্টিং প্লানগুলোর মধ্যে কোন লিমিটেশন থাকলে সেটা অনেক সময় ভালভাবে উল্লেখ করা থাকে না। তাই প্লানগুলোর তুলনা করে আপনার চাহিদার সাথে বেপারগুলো মিলে কিনা তা দেখে নিন। আপনি যদি এএসপি ডট নেটে সাইট বানাতে চান আর যদি লিনাক্স হোস্টিং বানাতে চান তাহলে তো চলবে না। এ জন্য প্রয়োজন হবে উইনডোজ প্লান। তাই জেনে নিন কি কি লিমিটেশন থাকবে আপনার সার্ভারে।

৪. সাপোর্ট

আজকের দুনিয়ায় সাপোর্ট একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার সার্ভার যদি কখনো ডাউন হয় আর যদি তা জানাতে এবং উত্তর পেতে কয়েক দিন লেগে যায় তাহলে লক্ষ ভিজিটর হারাতে পারেন। আর যদি আপনি রিসেলার ক্লাইন্ট হোন তবে তো মহা বিপদে পড়বেন। আপনার ক্লাইন্টকে কোন উত্তর দেয়ার মতো কিছু থাকবে না। তাই তাদের সাথে আপনার যোগাযোগের বেপারটা দেখ নিন।

৫. আনলিমিটেডের ফাঁদ

মূলত আনলিমিটেড বলে কোন কথা নেই।
“এখন অনেক প্রতিষ্ঠানই ক্রেতাকে আনলিমিটেড স্পেস, আনলিমিটেড ব্যান্ডউইড, আনলিমিটেড ইমেইল ইত্যাদি সুবিধার টোঁপ দেয়। বড় প্রতিষ্ঠান না হলে কারোও পক্ষেই আনলিমিটেডের সুবিধা দেয়া সম্ভব নয়। বরং প্রতিষ্ঠানগুলো আনলিমিটেডের লোভ দেখিয়ে ধারনক্ষমতার অতিরিক্ত কাষ্টমার নিয়ে সার্ভার স্লো করে ফেলে। তাই দেখে শুনে কেবল প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোর আনলিমিটেডের অফারে পা দিন।”

৬. ই-মেইল ফিচার ও ডোমেইন ফিচার

আপনি কতটা ই-মেইল সেটআপ করতে পারবেন এবং কতটা ডোমেইন/সাব-ডোমেইন ব্যবহার করতে পারবেন তা অবশ্যই জেনে নিবেন। আপনার আজ হয়তো একটি ওয়েব সাইট দরকার হলো কাল আরেকটা লাগতেই পারে তাই যে সব প্ল্যান একটি মাত্র ডোমেইন হোস্ট করতে দেয় সেই প্ল্যান না কেনাই ভাল।

৭. কন্ট্রোল প্যানেল

আপনি যদি এফটিপি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে অভ্যস্ত না হোন তবে সি প্যানেল বা ইউজার ইন্টারফেস কি দিবে তা জেনে নিন। আপনি হোস্টিং রিসেল করতে চাইলে একাধির ইউজার বানানো এবং তাদের জন্য রিসোর্স (স্পেস,ব্যান্ডউইথ) বরাদ্দের বেপারটি জেনে নিন।

৮. আপগ্রেড

একটা সময় আপনার বর্তমান প্লানটাকে একটু বাড়িয়ে নিতে হতে পারে, সেই সময় যদি সয়ংক্রিয়ভাবে তারা আপনার হোস্টিং আপগ্রেড করে দিতে পারে সেটা আপনার জন্য অনেক সুবিধাজনক হবে। সাধারনত ভাল মানের সকল সারভার কোম্পানী এরকম পদ্ধতি রেখে থাকে।
(তথ্যসূত্র: টিউটো হোস্ট)

0 মন্তব্য(গুলি):

Comment here

প্রিয় পাঠক, পোস্টটি পড়ার পর আপনার ভালো-লাগা, মন্দ-লাগা, জিজ্ঞাসা কিংবা পরামর্শ প্রদানের জন্য দয়া করে মন্তব্য প্রদান করুন। যা আমাকে ব্লগিং চালিয়ে যেতে অনেক উৎসাহ-অনুপ্রেরণা জাগাবে। আর পোষ্ট সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নের সমাধান পেতে মেইল করুন tanjimul01@gmail.com ঠিকানায়। আপনার একটি মন্তব্যই আমার নিকট অনেক মূল্যবান। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

helplineNot Available