কোন মোবাইল কিনতে গেলে আমরা প্রথমেই বলতে পারি না যে ভেতরে যা আছে, তা
লাউ নাকি কদু। প্রথমত আমরা দেখি এটা বাইরে থেকে দেখতে কেমন লাগে। Galaxy
S5 নিয়ে আসলো উন্নত desing এর সাথে ৫.১ ইঞ্চি পর্দা যা LTPS Capacitive
Full Multi Touch সুবিধা যুক্ত। Samsung কর্তৃপক্ষ আপনাকে দিচ্ছে আঁচড়
নিরোধক পর্দার নিশ্চয়তা। তাঁর সাথে যুক্ত হয়েছে আপনার জন্য white &
black যে কোন একটি colour বেছে নেওার সুবিধা। এটি আগের Galaxy S4 হতে ও
সুদৃশ্য। Galaxy S5 এর একটি বিশেষ দিক হল এর পেছনের বডি। তা আপনারাই ছবিতে
দেখে নিন।
- অনন্য camera & screen regulation...
Samsung
তাদের আগের পণ্য গুলতে camera & screen regulation এর যে সমন্বয়
করেছে, তাঁর থেকেও উন্নত পরিবর্তন এসেছে Galaxy S5 এ। এখানে আপনি পাবেন 16
MP camera যা আনপাকে দিবে 5312 x 2988 pixels ছবির সুবিধা। যেখানে আগের
পণ্য Galaxy S4 এ পাবেন 13 MP , iphone 5s এ পাবেন 8mp camera । তো camera
এর দিক দিয়ে Galaxy S5 কে পিছিয়ে দেখার কোন সুযোগ নাই। তাছারা এর Corning
Gorilla Glass 3 সমৃদ্ধ screen এ পাবেন 1080 x 1920 pixels ছবি/ভিডিও দেখার
আনন্দ। iphone 5s এ 640 x 1136 pixels এর বেশি পাবেন না কিন্ত। আপনি এ
যাচাই করুন, কোনটা বেস্ট।
- অপারেটিং সিস্টেম & Sensors
android
এর সর্বশেষ সংস্করন v4.4.2 (KitKat) এর সুবিদা পাবেন Galaxy S5 এ। Galaxy
S4 ছিল জেলিবিন পর্যন্ত সিমাবদ্ধ। এ ছাড়া এটিতে আগের Galaxy S4 মত
Accelerometer, gyro, proximity, compass, barometer, gesture, heart rate
দেওয়া আছে। বলাই যেতে পারে এটি Accelerometer, gyro, proximity, compass
সমৃদ্ধ iphone 5s থেকে অনেক এগিয়ে আছে।
- cpu & gpu
খেয়াল
করে দেখুন, Galaxy S5 এর cpu তে দেওয়া আছে Quad-core 2.5 GHz Krait 400
এবং gpu তে Adreno 330 দেওয়া আছে যা Accelerometer, gyro, proximity,
compass, barometer, gesture, heart rate সেন্সর সমৃদ্ধ। অপর দিকে Galaxy
S4 এর cpu & gpu এবং সেন্সর সমুহ Galaxy S5 এর মত। অন্য দিকে iphone 5s
এর ক্ষেত্রে
CPU : Dual-core 1.3 GHz Cyclone (ARM v8-based)
GPU : PowerVR G6430 (quad-core graphics)
Sensors : Accelerometer, gyro, proximity, compass
CPU : Dual-core 1.3 GHz Cyclone (ARM v8-based)
GPU : PowerVR G6430 (quad-core graphics)
Sensors : Accelerometer, gyro, proximity, compass
- memory
Samsung
S5 এর দুটি মডেলের ইন্টারনাল মেমরি যথাক্রমে ১৬ এবং ৩২ গিগা বাইট এবং এটি
মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করে ১২৮ গিগা বাইট পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।
- প্রথমত দামের দিকে ভেবে অনেক মানুষ পিছিএয়া যাবে এটি কিনতে, যেখানে Galaxy S3 এর দাম তাঁর অর্ধেক।
- আজ কাল সবাই খুব বেস্ত থাকে। অনেক সময় দেখা যায় মোবাইল চার্জ দেয়ার মত টাইম পাওয়া যায় না। সে দিক থেকে এর
Battery Li-Ion 2800 mAh battery
Stand-by Up to 390h
Talk time Up to 21h
Music play Up to 67h
এত দাম দিয়া মোবাইল কিনার পর যদি এই রকম সাধারন battery backup পাওয়া যায়, তাহলে কিভাবে কি ??




0 মন্তব্য(গুলি):
প্রিয় পাঠক, পোস্টটি পড়ার পর আপনার ভালো-লাগা, মন্দ-লাগা, জিজ্ঞাসা কিংবা পরামর্শ প্রদানের জন্য দয়া করে মন্তব্য প্রদান করুন। যা আমাকে ব্লগিং চালিয়ে যেতে অনেক উৎসাহ-অনুপ্রেরণা জাগাবে। আর পোষ্ট সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নের সমাধান পেতে মেইল করুন tanjimul01@gmail.com ঠিকানায়। আপনার একটি মন্তব্যই আমার নিকট অনেক মূল্যবান। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।